ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি, সকাল ৬:৫৮
বাংলা বাংলা English English

মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

গরম কাপড়েও মানছে না শীত, বিপর্যস্ত পঞ্চগড়


হিমেল হাওয়া ও কুয়াশায় উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাত থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির ফোটার মতো কুয়াশা ঝরায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। একটু উষ্ণতা পাওয়ার জন্য নিম্ন আয়ের লোকজনকে বাসাবাড়িতে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণে চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) ভোরে সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে কুয়াশা থাকার কারণে পঞ্চগড়ের শহরের সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনকে চলাচল করতে দেখা গেছে। একটু অসতর্কতার ফলে যে কোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

প্রতিদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। তবে বিকেল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বইছে হিমেল বাতাস। শীতে অনেক দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষজন বাড়ি থেকে বের হতে না পারায় কাজে যোগ দিতে পারছে না। ফলে তারা চরম বিপাকে পড়েছে।

এদিকে সন্ধ্যা নামতেই মানুষজন বাজারের প্রয়োজনীয় কাজ সেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। একদিকে শীত বস্ত্রের অভাব অন্যদিকে কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের লোকজন।

ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক মোখারুল আলম বলেন, পঞ্চগড়ে এবার প্রচণ্ড শীত পড়েছে। ভোরে ঘন কুয়াশা জন্য রাস্তায় কিছু দেখা যায় না। তাও রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হলাম। শীতের কারণে একটি যাত্রীও বাড়ি থেকে বের হয় নাই। ভাড়া না পাওয়ায় কষ্টে দিনযাপন করতে হচ্ছে।

পঞ্চগড় শহরের বানিয়াপাড়া মহল্লার মিলন চন্দ্র মদক জানান, সকালে বাড়ি থেকে দোকানের উদ্দেশে বের হলাম। কিন্তু কুয়াশার জন্য রাস্তা দেখা যাচ্ছে না। গত কয়েক দিনের তুলনায় আজকে পঞ্চগড়ের অনেক শীত লাগছে। অনেক মোটা কাপড় গায়ে জড়িয়েছি। তবুও শীত মানতে চাইছে না।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ সময় নিউজকে জানান, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গত কয়েক দিন থেকে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে।