ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি, সকাল ৭:৩১
বাংলা বাংলা English English

মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ইন্টারনেটের লুকানো সর্ববৃহৎ লেনদেন বাজার


ইন্টারনেটের ব্যবহার হরহামেশাই করা হয়। তবে ইন্টারনেটের এই জগতে ভালোর মাঝেই কিছু খারাপও রয়েছে। অন্ধকার জগত বলতে ইন্টারনেটে একটা কথা আছে যাকে বলা হয় ডার্কওয়েব। ডার্কওয়েব হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের একটি উপাদান যা ডার্ক নেটে বা অন্ধকার নেটে বিদ্যমান।

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত ইন্টারনেটের ৫ থেকে ৬ শতাংশ জুড়ে ডার্ক নেট রয়েছে। এটি উন্মুক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে এক প্রকার লুকানো নেটওয়ার্ক। বলতে গেলে অপরাধমূলক কাজের জন্য এটি একটি স্বর্গ স্বরূপ আশ্রয়স্থল। বর্তমান সময়ে, আমরা আমাদের প্রায় প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ইন্টারনেট এর মাধ্যমেই করে থাকি। সেটা হতে পারে, তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন শপিং, হোটেল বুকিং, ভিডিও কল, রিচার্জ, টাকা ট্রান্সফার করা ইত্যাদি।

যেকোনো ক্ষেত্রেই আমরা ইন্টারনেটের ওপরে অধিক পরিমানে নির্ভর হয়ে থাকি। তবে, জেনে অনেকেই অবাক হবে যে সাধারণ ইন্টারনেট এর যতটুকুই পরিমাণ ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটা সম্পূর্ণ ইন্টারনেটের কেবল ৪ ভাগ এবং এর বাইরেও ইন্টারনেটের কিছু রহস্যজনক ভাগ বা অংশ রয়েছে।

সম্পূর্ণ ওয়েব এর ৯৬ ভাগ রয়েছে সেটার বিষয়ে একজন সাধারণ ব্যক্তি কখনোই জানতে পারেন না। কেননা, ওয়েব এর সেই ভাগ সাধারণ ব্যক্তির জন্যে সাধারণ ভাবে উপলব্ধ করানো হয় না। ওয়েবের এখানে সাধারণভাবে প্রবেশ বা এক্সেস করা সম্ভব না, সেটাকেই বলা হয় ডার্কওয়েব। এই ডার্ক ওয়েবের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ এবং নিষিদ্ধ কাজগুলো হয়ে থাকে। হ্যাকিং, অনলাইন ড্রাগস, পর্নোগ্রাফি ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ জিনিসগুলো এই ডার্কওয়েবের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

এই ধরনের ওয়েবসাইট গুলোর আইপি অ্যাড্রেসগুলো জেনেবুঝে লুকিয়ে রাখা হয়। আর তাই, এই ধরনের ওয়েবসাইটগুলো সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হতে পারে না। ডার্কনেট মার্কেট হলো একটি কমার্শিয়াল ওয়েবসাইট যেটাকে কেবল Tor বা I2P এর মতো ডার্কনেটসের মাধ্যমে পরিচালনা করা যেতে পারে। এইসব প্রতিষ্ঠানগুলো ডার্কওয়েব বা নেটের মধ্যে পরিচালনা করা হয় বলেই এদেরকে ডার্কনেট মার্কেটস বলা হয়। এগুলো মূলত ব্ল্যাক মার্কেট হিসেবে কাজ করে।