ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি, সকাল ৬:৪০
বাংলা বাংলা English English

মঙ্গলবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

থানা পুলিশের উপস্থিতিতে অসহায় পরিবারের উপর নির্যাতনে আহত-৬ (ভিডিও)


ভোলা চরফ‍্যাসন উপজেলা শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড ভুক্তভোগী মোসাম্মদ আরজু বেগম অভিযোগ করে বলেন আমার বাবা মৃত নজির আহমেদ মেস্ত্রী ১৯৮৫ সালে ৪১৯১ নং খতিয়ানের ৪০৯০ দাগের ৭০ শতাংশ জমি খরিদ সুত্রে মালীক হয়ে দীর্ঘদিন ভোগ দখলে ছিলেন,বাবার মৃত্যুর পরে চর মানিকা ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ডের আঃ মালেক মুন্সি আমাদের জমি জোরপূর্বক দখল করেন এবং রাতের অন্ধকারে আমাদের ঘরে ডুকে বাক্স ভেংগে দলিল সহ সকল কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে যায়,আমরা ছোট থাকায় কাগজপত্র সংগ্রহ ও জমি উদ্ধার করতে পারিনি।

এখন কাগজপত্র সংগ্রহ করে স্থানীয় থানা সহ এলাকায় একাদিক বার শালিশ মিমাংসা মাধ্যমে আমাদের কাগজপত্র সঠিক থাকায় আমাদের পক্ষে রায় হয়।রায় পেয়ে গত এক মাস আগে আমরা আমাদের জমি চাষাবাদ করি ও থাকার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করি।গত (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৪ ঘটিকার সময় দক্ষিণ আইচা থানার এস আই রাসেল ও সংগীয় ফোর্স সহ আমাদের ঘরে আসেন এবং আমার কাছে দুই হাজার টাকা দাবি করেন আমি টাকা দিতে অপারগতা শিকার করলে আমাকে ঘর থেকে বের হতে বলেন ও বিভিন্ন হুমকি দিতে থাকেন আমি ভয়েতে এস আই রাসেল স‍্যার কে অনুরোধ করে বলি স‍্যার আমি সকালে টাকা নিয়ে আপনার সাথে থানায় দেখা করবো এতে এস আই রাসেল রাগান্বিত হয়ে হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আমাকে আঘাত করেন এবং আঃ মালেক মুন্সি গংদের নির্দেশ দেন আমাদের কে মেরে ঘর থেকে বের করে ঘরে আগুন লাগিয়ে দিতে এই নির্দেশ পেয়ে আঃ মালেক মুন্সি গং আমাদের উপর ঝাপিয়ে পরে বেধড়ক মারধর ও আমাদের পরনে থাকা জামাকাপড় ছিড়ে পেলে নির্মম নির্যাতন করেন,মালেক মুন্সি গংদের হামলায় তাছলিমা (৪০) রিমু (১২) আইরিন (৩৮) আনোয়ারা (৪৫) আরজু (৩৫) নারগীছ (৪০) আহত হয়েছেন।

 

আমরা কোন উপায় না পেয়ে এস আই রাসেল স‍্যারের পায়ে ধরে জীবন ভিক্ষা চেয়ে ও কোন রেহাই পাইনি।আমি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের দৃষ্টি কামনা করছি আমাদের উপর এই নির্মম নির্যাতনের চাই।

এবিষয়ে অভিযুক্ত আঃ মালেক মুন্সি বলেন আমাদের জমি জোরপূর্বক দখল করতে গেলে পুলিশ সহ আমরা তাদের বাধা দিয়েছি হামলার বিষয়ে জিগ্যেস করলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এবিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানা অফিসার ইন চার্জ মোঃ শাখাওয়াত হোসেন বলেন পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ কল পেয়ে রাতে এস আই রাসেল কে সেখানে পাঠিয়েছিলাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য সেখানে অপ্রীতিকর কিছু হলে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।