ঢাকা, শুক্রবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি, দুপুর ১২:২৭
বাংলা বাংলা English English

এবার সিক্স-জি মিশনে চীন

কোনো খাতেই পিছিয়ে থাকতে চায় না অন্যতম পরাশক্তি চীন। প্রযুক্তি খাতে যাদের অগ্রগামী ভূমিকা অনেক পুরনো। ধারাবাহিকতায় দেশটি তাদের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সাথে সাথে টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তির পরবর্তী প্রজন্মেও বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির নেতৃত্ব দিয়ে চলেছে। এমন তথ্যই জানিয়েছে চীনের শিল্প ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী জিয়াও ইয়াকিং।

দেশটিতে ফাইভ-জি ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ে সংবাদ সংস্থা সিংহুয়া নিউজ এজেন্সি জানায়, চীন এক মিলিয়নেরও বেশি ফাইভ-জি ভিত্তিক স্টেশন তৈরি করেছে। যা বিশ্ব বাজারের ৭০ শতাংশেরও বেশি। দেশটিতে ফাইভ-জি ব্যবহারকারীর সংখ্যা চারশ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যবহারকারী গোষ্ঠী।

তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চীনের ফাইভ-জি গ্রাহকের সংখ্যা ২০২৩ সালের মধ্যে ৫৬০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। যা হবে দেশের মোট মোবাইল ব্যবহারকারীর প্রায় ৪০ শতাংশ। এর আগে, মন্ত্রণালয় আরও বলেছিল যে, ফাইভ-জি যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত পেটেন্টের সংখ্যায় চীন প্রথম স্থানে রয়েছে।

চীনের নেতৃস্থানীয় মোবাইল অপারেটররা দুবছর আগে অর্থাৎ ২০১৯ সালের অক্টোবরে তাদের গ্রাহকদের পঞ্চম প্রজন্মের যোগাযোগ সেবা প্রদান শুরু করে। ২০২০ সাল জুড়ে দেশটিতে প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার বেস স্টেশন স্থাপন করা হয়েছিল। নেটওয়ার্কটি সমস্ত বড় শহরগুলোতে আচ্ছাদিত করে। আর বছরের শেষ নাগাদ বেইজিং ৬ লাখেরও বেশি নতুন স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে।

এদিকে বিশ্বের অনেক দেশ যেখানে তাদের গ্রাহকদের মাঝে শুধুমাত্র ফাইভ-জি প্রযুক্তি গ্রহণ করতে শুরু করেছে। সেখানে চীনের টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে সম্প্রতি তার উত্তরসূরি সিক্স-জি নেটওয়ার্ক চালু করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাজারে আনতে চায় হুয়াওয়ে।

চীনের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সপ্তাহের শুরুতে শেনজেনে একটি সম্মেলনে কোম্পানির চেয়ারম্যান জু ঝিজুন পরিকল্পনাগুলি প্রকাশ করেছিলেন। ওই কর্মকর্তা জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ বছরেরও কম সময়ে বাজারে সিক্স-জি নেটওয়ার্ক চালু করা হবে।