ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি, রাত ৪:৩১
বাংলা বাংলা English English

পর্দায় ফিরছেন সায়নী

টালিউড অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গের গেল বিধানসভা নির্বাচনের আগে সবর হয়েছিলেন রাজনীতিতে। যোগ দিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেসে। নির্বাচনের প্রার্থীও করা হয়েছিল তাকে। কিন্তু দলকে আশানুরূপ ফল উপহার দিতে পারেননি তিনি।

তাতে অবশ্য দলের কাছে গুরুত্ব কমেনি এই অভিনেত্রীর। ভোটের পরে যুব তৃণমূলের সভাপতি করা হয়েছে সায়নী ঘোষকে। নিজের দল নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। ফলে পিছিয়ে পড়েছেন রূপালী পর্দা থেকে। এবার পর্দায় ফিরছেন সায়নী। রাজনীতি যোগ দেওয়ার পর প্রথম সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন সায়নী। খবর আনন্দবাজার।

অনীক দত্তের ‘অপরাজিত’ সিনেমায় অভিনয় করবেন সায়নী। শিগগরিই নতুন সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবেন তিনি। এতে সায়নীর চরিত্রে নাম ‘বিমলা রায়’। বিজয় রায়ের ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়েছে চরিত্রটি। সিনেমায় তার বিপরীতে থাকবেন আবীর চ্যাটার্জি। সেপ্টেম্বরে শুরু হবে সিনেমার শুটিং।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে সায়নী এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এট ঠিক বায়োপিক না। কিন্তু বিজয়া রায়ের ছায়ায় তৈরি হবে চরিত্রটি। ভীষণ আধুনিকমনস্ক একটি চরিত্র, তার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। বিভিন্ন লেখা পড়ছি, চিত্রনাট্যও পড়ছি বারবার।’

অনীক দত্তের সঙ্গে এর আগেও কাজ করেছেন সায়নী। পরিচালকের সঙ্গে তার বোঝাপড়া বেশ ভালো। সিনেমার কাজ শুরু আগে সন্দীপ রায়ের সঙ্গে দেখা করতে চান সায়নী। অভিনেত্রী বলেন, ‘যেহেতু এটা বায়োপিক না তাই নিজের ইনপুট দেওয়ার সুযোগ আছে অনেক। এরসঙ্গে অনীক দার গাইডলাইন তো আছেই।’

একটা সময় বছরের ১৪-১৫টি সিনেমায় অভিনয় করতেন সায়নী। এখন মন দিতে চান রাজনীতিতে। কিন্তু ভালো চরিত্রের প্রতি আকর্ষণ এ অভিনেতার বরাবরই আছে। তবে আরও ভেবেচিন্তে চিত্রনাট্য বাছাই করতে চান তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানান এ অভিনেত্রী।

২০১০ সালে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সায়নী ঘোষ। তার প্রথম সিনেমা ‘নটবর নট আউট’। অমিত সেনগুপ্তের পরিচালনায় এ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। তার আগে ‘ইচ্ছে দানা’ টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন সায়নী।

সিনেমার পাশাপাশি ওয়েব সিরিজেও অভিনয় করেছেন সায়নী। গেল কয়েক বছরে অনেকগুলো ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। যেগুলো অধিকাংশ এসেছে আলোচনা। সেগুলোর মধ্যে ‘পকেটমার’, ‘চরিত্রহীন’, ‘চরিত্রহীন-২’ প্রমুখ।