ঢাকা, বুধবার, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি, দুপুর ১:৩২

ওয়ানডের মতো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০’তেও এগিয়ে বাংলাদেশ

ওয়ানডের মতো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০’তেও পরিসংখ্যানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে জিম্বাবুয়েকে তাদের মাটিতে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশের পর, টি-২০’তেও একই সুযোগ টাইগারদের সামনে।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের পার্থক্যটা বিস্তর। তবে টি-২০ র‌্যাঙ্কিং বলছে, ক্রিকেটের সীমিত ফরম্যাটে পার্থক্য নেই খুব একটা। আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ আছে ১০ম স্থানে। জিম্বাবুয়ের অবস্থান ঠিক এরপরেই।

তবে দু’দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যানে দেখা যাবে আসল চিত্রটা। আন্তর্জাতিক টি-২০’তে বাংলাদেশের অভিষেক হয় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৬ সালে। যদিও গেল ১৫ বছরে মাত্র ১৩ বার দেখা হয়েছে দু’দলের।
এই ১৩ ম্যাচে জয়ের পাল্লা ভারী টাইগারদের। ৯ ম্যাচে জয় আছে মাহমুদউল্লাহ-সাকিবদের। আর হেরেছে ৪টি ম্যাচে। জিম্বাবুয়ের মাটিতে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। ২০১৩ সালে খেলা সিরিজটা শেষ হয় ১-১ সমতায়। সে সিরিজের দলে যারা ছিলেন, তার মধ্যে মাত্র দু’জন আছেন টাইগারদের বর্তমান স্কোয়াডে। তারা হলেন- অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসান।
ওয়ানডেতে সিরিজ সেরা হওয়া সাকিব টি-২০তেও ব্যাটে-বলে অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯ ম্যাচে তিনি করেছেন সর্বোচ্চ ১৯৬ রান। তবে তারপরে যারা আছেন তাদের ব্যবধান খুব বেশি না। ১৯৩ রান নিয়ে লিটন আছেন দ্বিতীয় স্থানে। আর মাহমুদউল্লাহ-তামিমদের সমান ১৯১ রান। পরের দুই অবস্থানে আছেন সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকার।
বোলিং পরিসংখ্যানে অবশ্য শীর্ষে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান। প্রায় ১৩ গড়ে তার শিকার ১৫ উইকেট। সাকিব ১৩ উইকেট নিয়ে আছেন এরপরেই। বর্তমান স্কোয়াডে থাকা লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ২ ম্যাচে ১০ গড়ে নিয়েছেন ৫ উইকেট। চলমান সিরিজে তিনি সুযোগ পেলে নিশ্চয়ই চাইবেন নিজের রেকর্ডকে সমৃদ্ধ করতে।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশ পরিষ্কার ব্যবধানে জিতেছে। তাই বলে টি-২০ কি অতটা সহজ হবে? পরিসংখ্যান যাই বলুক, ফরম্যাট ছোট। তাই উড়িয়ে দেওয়া যায় না স্বাগতিকদের সম্ভাবনা।