ঢাকা, বুধবার, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি, দুপুর ১:৪৫

পেগাসাসের তালিকায় থাকা বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিরা

ফাঁস হওয়া পেগাসাস ম্যালওয়্যারের তালিকায় রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ বিভিন্ন দেশের ১৩ সরকারপ্রধান। এ ছাড়া ৩৪টি দেশের কূটনীতিক, সামরিকপ্রধান ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদেরাও রয়েছেন এ তালিকায়।

ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান বলছে, ইসরায়েলি এনএসও গ্রুপের পেগাসাস ম্যালওয়্যারের নিশানায় থাকার অর্থ এই নয় যে এসব নম্বর সফলভাবে হ্যাক করা হয়েছে। এনএসও বলছে, ফাঁস হওয়া তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে এই কোম্পানির কোনো সম্পর্ক নেই কিংবা কোনো গ্রাহক ম্যাঁক্রোকে হ্যাকিংয়ের টার্গেট করেনি।

সফটওয়্যার কোম্পানিটির এই অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে, পেগাসাস ব্যবহার করে কাদের ওপর নজরদারি করা হবে, তা এনএসও ঠিক করে দেয়। ফাঁস হওয়া তালিকায় বিশ্বজুড়ে যেসব রাজনীতিবিদের নম্বর আছে-

ক্স দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা। ২০১৯ সালে রুয়ান্ডায় তাকে হ্যাংকিংয়ের তালিকায় রাখা হয়েছিল।
ক্স বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেবররিয়াসুস। ২০১৯ সালে মরোক্কো থেকে তার প্রতি আগ্রহ প্রদর্শন করা হয়েছিল।
ক্স সাদ হারিরি। গত সপ্তাহে তিনি লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান। ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তাকে টার্গেট করা হয়েছিল।
ক্স ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি চার্লস মিশেল। ২০১৯ সালে মরক্কো থেকে তাকে নিশানা করা হয়। তখন তিনি বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

ক্স মরক্কোর বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদ। ২০১৯ সালে তাকে টার্গেট করা হয়েছিল। নিজের দেশের নিরাপত্তা বাহিনীই তার ওপর নজরদারি করতে চেয়েছিল।
ক্স মরক্কোর প্রধানমন্ত্রী সাদ উদ্দিন উসমানি। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে তার ওপর নজরদারি করতে চাওয়া হয়েছিল। আর সেটা করা হয়েছিল তার নিজ দেশ থেকেই।
ক্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ২০১৯ সালে প্রতিবেশী ভারত থেকে তিনি টার্গেট হয়েছিলেন।
ক্স মেক্সিকোর সাবেক প্রেসিডেন্ট ফেলিপ কাল্ডডারোন। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে তার ওপর নজরদারি করতে চাওয়া হয়েছিল। তার স্ত্রী মার্গারিটা জাভালা যখন দেশটি সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পদটির জন্য লড়ছিলেন, তখন তাকে নিশানা করা হয়।
ক্স দীর্ঘ সময়ের মার্কিন কূটনীতিক রবার্ট ম্যালিই। তিনি যুক্তরাষ্ট্রি ও ইরান চুক্তির প্রধান আলোচক ছিলেন। ২০১৯ সালে মরোক্কো থেকে তাকে টার্গেট করা হয়েছিল।
এনএসও বলছে, তাদের গ্রাহকেরা মার্কিন নম্বরে নজরদারি করতে পারবে না। কারণ কারিগরিভাবে তা অসম্ভব।