ঢাকা, বুধবার, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি, দুপুর ২:১৮

চীনে ফের বাড়ছে করোনার সংক্রমণ

চলতি বছরের জানুয়ারির পর গত মঙ্গলবার (২০ জুলাই) চীনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দেশটির ইউনান প্রদেশে আক্রান্ত রোগীর আগমন বাড়ায় সেখানে নতুন মাত্রায় সংক্রমণ দেখা গেছে।

প্রতিবেশী মিয়ানমারে মহামারির উদ্বেগজনক সংক্রমণ এই প্রদেশেও ছড়িয়ে পড়ছে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে, সোমবার (১৯ জুলাই) চীনের মূল ভূখণ্ডে ৬৫টি নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একদিন আগে যা ছিল ৩১টি। রয়টার্সের খবর।

গত ৩০ জানুয়ারি বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতির দেশটিতে ৯২ জন করোনায় পজিটিভ এসেছিলেন। ১৯ জুলাই অধিকাংশ সংক্রমণ এসেছে বিদেশ থেকে। ইউনানে ৪১টি আক্রান্তের উৎস ভিন্ন দেশ। অবশ্য তারা সবাই চীনা নাগরিক। সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরে এসেছে।

জাতিসংঘ বলছে, সেনাশাসিত মিয়ানমারে করোনা সংক্রমণ বোধে পদক্ষেপ বাড়ানো হয়েছে। সোমবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে ২৮১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। দেশটিতে সবমিলিয়ে নতুন সংক্রমিত হয়েছেন পাঁচ হাজার ১৮৯ জন।

ইউনানে করোনার নতুন ধাক্কা শুরু হয়েছে ৪ জুলাই। তখন মিয়ানমার সীমান্তে চীনের দুই ছোট্ট শহর রুইলি ও লংচুয়ানের মধ্যেই এই প্রাদুর্ভাব সীমাবদ্ধ ছিল। মহামারি শুরু হওয়ার পর রুইলিতে চারজনের সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। ১৯ জুলাই সেখানে স্থানীয়ভাবে সাতজন আক্রান্ত হয়েছেন। লংজুয়ানে সংক্রমিত একজন।

স্থলপথে ইউনানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যানজিট পয়েন্ট রুইলি। লাওস, মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের সঙ্গে শহরটির চার হাজার কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে।

রাজ্যটিতে করোনা সংক্রমণকে দ্বিতীয় ক্লাস্টার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যার সঙ্গে অতি সংক্রামক ডেল্টা সংক্রমণও রয়েছে। এর আগে মে ও জুন মাসে দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডং প্রদেশে সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল।