ঢাকা, বুধবার, ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি, দুপুর ২:২৩

ময়মনসিংহে সেনাপ্রধানের টহল কার্যক্রম পরিদর্শন

দেশব্যাপী করোনার কারণে দেওয়া চলমান কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে ময়মনসিংহ জেলায় সেনাবাহিনীর টহল কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

মঙ্গলবার (০৬ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে নগরীর টাউন হল এলাকায় পরিদর্শনে যান তিনি। টহল কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় সেনাপ্রধান সেখানে কর্তব্যরত সেনা সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তিনি ময়মনসিংহে চলমান অপারেশন কোভিড শিল্ড-এর দ্বিতীয় পর্বে সেনাবাহিনী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর ভূমিকা ও কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং আর্মি ট্রেনিং ও ডকট্রিন কমান্ড লেফটেনেন্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান, এরিয়া কমান্ডার ঘাটাইল এরিয়া মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন, স্টেশন কমান্ডার ময়মনসিংহ স্টেশন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
করোনাভাইরাসের দাপটে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে দেশের অবস্থা। চরম আকার নিয়েছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণ। হাসপাতালে রোগীদের চাপে শয্যার পাশাপাশি প্রকট সংকট অক্সিজেন সিলিন্ডারের। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বাইরে করোনা ও উপসর্গে মারা গেছেন ১৪৯ জন। শুধু উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেই ১১৭ জন। বরিশালে শনাক্তের হার সর্বোচ্চ ৭৪ শতাংশে ঠেকেছে।

আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত মেয়াদ বাড়িয়ে সোমবার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে লকডাউনের সময় বাড়িয়ে আদেশ জারি করা হয়।
এর আগে ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে সাতদিনের কঠোর লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারের পক্ষ থেকে এবার বিধিনিষেধ ‘কঠোর’ই করার কথা বলা হয়। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হলেই গ্রেপ্তার করার কথা বলে পুলিশও।
বিধিনিষেধ মানতে বাধ্য করতে মাঠে নামানো রয়েছে সেনাবাহিনীও।
লকডাউন নিয়ে গত ৩০ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়:
করোনা সংক্রমণ রোধে সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত অফিস বন্ধ করে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। লকডাউনে বন্ধ থাকবে গণপরিবহন-শপিংমল। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু থাকবে শিল্পকারখানা। ৭ দিনের এই লকডাউনে কেউ বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বাইরে বের হলেই কঠোর শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
সেই সময় শেষ না হতেই মহামারি করোনা রোধে আবারও চলমান কঠোর বিধিনিষেধের (লকডাউন) মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে।