ঢাকা, শনিবার, ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৯:১৮

হাইকোর্টের আদেশ অমান্য, বুড়িগঙ্গা তীরে ডকইয়ার্ডের লাইসেন্স দিল বিআইডব্লিউটিএ

অনলাইন ডেস্ক::

উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে কোনো স্থাপনা না ভেঙে উল্টো ডকইয়ার্ডের মালিকদের সীমানা পিলারের মধ্যেই লাইসেন্সের আবেদনের সুযোগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বিরুদ্ধে।

বুধবার (০৯ জুন) সকালে বুড়িগঙ্গা নদীর ফতুল্লা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডকইয়ার্ড মালিকরা বলেন, লাইসেন্সের আবেদন করায় তাদের কোনো স্থাপনা উচ্ছেদ করেনি বিআইডব্লিউটিএ। যদিও সংস্থাটি বলছে, নদী রক্ষার পাশাপাশি নদীকে কেন্দ্র করে ব্যবসা প্রসারিত করতেও তারা কাজ করছে।

সকালে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদে অভিযানে যায় বিআইডব্লিউটিএ। তবে অন্যান্য দিনের মতো এদিন উচ্ছেদ শুরু না করে সীমানা বসানো নিয়ে স্থানীয় ডকইয়ার্ড মালিকদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন সংস্থার কর্মকর্তারা।

সেখানে দেখা যায়, স্থায়ী সীমানা পিলারের মধ্যেই ডকইয়ার্ডের পাশাপাশি রয়েছে বেশ কিছু পাকা স্থাপনাও। এমনকি এ সময় সীমানা পিলারের মধ্যেই চলছিল নির্মাণ কাজ। এদিন এসব কোনো স্থাপনাই ভাঙা হয় নি। উল্টো দেখা যায়, লাইসেন্সবিহীনভাবে যারা নদী দখল করে ডকইয়ার্ড করে রেখেছিল তাদের লাইসেন্স করার সুযোগ দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ।

ডকইয়ার্ড মালিকরা জানান, লাইসেন্সসহ আবেদন করার বিনিময়ে উচ্ছেদ থেকে তারা রেহাই পেয়েছেন।

বিষয়টি স্বীকার করে বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা জানান, তারা মূলত সীমানা পিলার বসাতে সেখানে গিয়েছিলেন।

২০০৯ সালের হাইকোর্টের এক আদেশে, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নতুন করে ডকইয়ার্ডের লাইসেন্স দেয়া বন্ধের পাশাপাশি যেসব স্থাপনা রয়েছে তাও সরিয়ে নিতে বলা হয়।