ঢাকা, শনিবার, ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি, রাত ১০:০২

ধর্ষনের অভিযোগে উচাখিলা চেয়ারম্যান সহ ৫ জনের আদলতে মামলা

    রতন মিয়া।

ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগন্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলামকে ১নং আসামী করে, আদালতে মামলা হয়েছে। এজাহার প্রেক্ষিতে জানা যায় তার সহযোগী ২।নং মোছাঃ আসমা বেগম ৩।নং মোঃ দুলাল ৪। নং মোঃ মুনজুরুল হক মন্জু এবং ৫। নং মোঃ মাহাবুব আলম। মোট ৫ জনেকে আসামী করে মামলাটি করেছে মোঃ স্বপন মিস্ত্রি। বাদির সাথে মোটফোনে যোগাযোগে জানা যায় তার নাবালিকা মেয়ে মোছাঃ স্বর্ণা আক্তারকে বিয়ের প্রলবন দেখিয়ে বাকি আসামীদের সহযোগীতায় একাধিক বার ধর্ষন করে ১নং আসামী শফিকুল ইসলাম।

এমনিভাবে ধর্ষনের ফলে আমার মেয়ে গর্ভবতি হয়। তার গর্ভপাত করার জন্য ২নং আসামি ৩,৪,ও ৫ নং আসামীদের সহযোগীতায় স্থানীয় কবিরাজ দ্বাড়া চিকিৎসা করানোর পর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনার দিন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় আমার মেয়েকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে নিয়ে যায় ২নং আসামি। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার আরও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় ঢাকাতে রেফাট করে।

তাদের গোপন রহস্য প্রকাশ পাবে বলে স্বর্ণাকে ঢাকা না নিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায়। এবং স্বর্নার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তার ছোট ভাই তরিকুল ইসলাম অসুস্থ বড় আপাকে জিজ্ঞাসা করায় স্বর্না তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবারন দেয় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলো সাক্ষী জায়দা বেগম। কানাকানি শুরু হলে ২নং আসামী ১নং আসামীকে মোবাইলে জানালে সকল আসামীদের কুপরামর্শে ১নং আসামী একটি মাইক্রোবাস ভারা করে দেয়। ২ ও ৩ নং আসমী স্বর্নাকে নিয়ে ঢাকা National Institute of Neuro Scinces Hospital রাত্রি ২ঘটিকায় ভর্তি করে।এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ১২/০৫/২১ইং তারিখে রাত্রি ২ ঘটিকায় মৃর্তু্বরন করে।