ঢাকা, শনিবার, ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৯:২৬

সোহেল সানি ব্যতিক্রমী ও প্রথিতযশা একজন সাংবাদিক

মফস্বল শহরেই আমাদের বেড়ে ওঠা,রং আর তুলি নিয়ে নাড়াচাড়া করেছি অনেকদিন, কিন্তু দৃষ্টিনন্দন কোন সৃজন আমার দ্বারা হয়নি, এর পাশাপাশি ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, সামাজিক অঙ্গনে বিচরণ করার নিরলস প্রয়াস কিংবা অভিলাষী হওয়ার কারণে একসময়ে বানারীপাড়ার ক্রীড়া সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন ঐতিহ্যবাহী নবীন সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তৎকালীণ বানারীপাড়ার প্রায় সকল ক্রীড়া,সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে অবাধ বিচরণ ছিল আমার।

অযোগ্য হলেও প্রথম সারিতে নেতৃত্ব দানকারী বড়ভাইদের অনেক পছন্দের মানুষ ছিলাম, বিরামহীন দৌড়াদৌড়ি, ছুটাছুটি করে একেকটি অনুষ্ঠান আয়োজন, উপস্থাপনা কিংবা পরিচালনা করতে গিয়ে সবসময় পাশে পেতাম অত্যন্ত মেধাবী বিনয়ী সুদর্শন কিশোর শামীমকে (শামীম ও কিশোর বয়সেই নবীন সঙ্গের প্রচার সম্পাদক ছিল)। আজকের প্রতিথযশা সাংবাদিক সোহেল সানিকে। মাঝে মাঝে সেই মোহময় স্মৃতিগুলো ভেসে ওঠে অনুভুতিতে। জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক সোহেল সানি, যার ব্যতিক্রমী ও তথ্যবহুল লিখনী অসাধারন, চমৎকার! মুল ঘটনার সাথে তথ্য উপাত্ত সন্নিবেশিত করে নির্যাসটুকু তুলে ধরার যে অভিনব কৌশল কিংবা বুদ্ধিমত্তা তা সোহেল সানিকে আরো অনেক দূরে নিয়ে যাবে, প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবে।

নির্ভীক একজন কলমযোদ্ধা! তোষামোদী তথাকথিত চাটুকার সাংবাদিক এর চাইতে অনেক ধনী (বিত্তে নয় চিত্তে) সোহেল সানির লিখনীর ক্ষুরধায় শানিত হোক আমাদের বিবেক। সানি তুমি এগিয়ে যাও নির্ভয়ে “পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না” এ মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে তুমি পৌঁছাবেই ইনশাআল্লাহ। আমার অফুরন্ত দোয়া রইলো। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।

লেখকঃ মীর সহিদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি, বরিশাল।