বৃহস্পতিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:২১

শেয়ারবাজারে সপ্তাহজুড়ে মিউচুয়াল ফান্ডের দাপট

  অনলাইন ডেস্ক।।

দীর্ঘদিন মন্দায় থাকার পর শেয়ারবাজারে চাঙ্গা হয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড। গত সপ্তাহ জুড়ে এ খাতের ব্যাপক দাপট ছিল। দাম বৃদ্ধির তালিকায় থাকা ১০টি কোম্পানির মধ্যে ৯টিই ছিল এ খাতের প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের দাম ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। আর সামগ্রিকভাবে গত সপ্তাহে বাজারে লেনদেন ৩৩৪ কোটি টাকা বেড়েছে। তবে মূল্যসূচক ৩৭ পয়েন্ট কমেছে।

জানা গেছে, বাজারে দীর্ঘদিন মন্দা ছিল মিউচুয়াল ফান্ড। সাম্প্রতিক সময়ে তাতে গতি ফিরেছে। এ খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখা গেছে। আর গত সপ্তাহে যে ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে তার মধ্যে ৯টি মিউচুয়াল ফান্ড। এরমধ্যে সিএপিএম ইসলামিক ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৫০ দশমিক ৬৩ শতাংশ, এসইএমএল ইসলামী ব্যাংক শরীয়াহ ফান্ডের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৪৬ শতাংশ। ৪২ শতাংশ বেড়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম। আর সর্বনিম্ন বেড়েছে ২৫ শতাংশ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত তিন মাসে বাজার ইতিবাচক থাকায় মিউচুয়াল ফান্ডের আয় বেড়েছে। এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগ নীতিমালায় পরিবর্তন আসছে। বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।

গত সপ্তাহের ৫ দিনে ডিএসইতে ৪ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৯১১ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ৫ দিনে ৪ হাজার ২২২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ৮৪৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। এ হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৩৩৪ কোটি টাকা। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন বেড়েছে ৬৬ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে প্রায় ৮ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে মূল্যসূচক ৩৭ পয়েন্ট কমেছে। আর ডিএসইর বাজার মূলধন কিছুটা বেড়ে ৩ লাখ ৯৮ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

এদিকে সপ্তাহজুড়ে শীর্ষ দশ কোম্পানির ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৩০ শতাংশ। একক কোম্পানি হিসাবে গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মা। আলোচ্য সময়ে এ কোম্পানির লেনদেন ৪৩৯ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে বেক্সিমকো লিমিটেডের লেনদেন ১৮৯ কোটি টাকা। এরপর এশিয়ার ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন ১০১ কোটি, ব্র্যাক ব্যাংক ৯৭ কোটি, এসোসিয়েটস অক্সিজেন ৮৩ কোটি, ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাষ্ট্রিজ ৭৮ কোটি, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স ৬৫ কোটি, এডিএন টেলিমক ৬৪ কোটি, নিটোল ইন্স্যুরেন্স ৬৩ কোটি এবং নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ৬১ কোটি টাকা টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।