মঙ্গলবার, ১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, রাত ১:৩৮

বিজয় দিবসের বিশেষ কবিতা প্রকাশ

অমর বিজয়

এস. এম. সোহাগ

বাঙ্গালীর ইতিহাসে, বক্র দৃষ্টি দিতে,

চেয়েছিল শোষক পাকিস্তান ৷

করেছে অত্যাচার, অন্যায় আর অবিচার,

ওরা ছিল মানুষরূপি শয়তান ৷

হয়ে ছিল এক দেশ, তবু ছিল ভেদাভেদ,

পশ্চিম আর পূর্ব পাকিস্তান ৷

সেবাহীন জনগন, দেশের উন্নয়ন,

সব খানেতেই হতো হয়রান ৷

এদেশে খাটতো লোক, ওরা তা করতো ভোগ,

দিতনাতো এতটুকু সম্মান ৷

করেছে প্রতারণা, দিয়েছে যন্ত্রণা,

বলতো মুখে আমরা মুসলমান ৷

বাচাঁতে জাতীর মান, মুজিবুর রহমান,

অবশেষে মুক্তির ডাকদেন ৷

আমরা হবো স্বাধীন, থাকবোনা পরাধীন,

রাখতেই হবেযে দেশের মান ৷

পচিঁশের কালো রাত, ভুলে সব জাত-পাত,

ঘুমে রত বাঙ্গালীর সন্তান ৷

শুরুযে মরন খেল, হানাদার মারে সেল,

সব কিছু পুড়ে ভেঙ্গে খানখান ৷

শুরু হলো যুদ্ধ, বাঙ্গালিরা ক্ষুব্দ৷

হটাতেই হবেযে পাকিস্থান ৷

দেশের মাটিতে আর, শত্রু বা হানাদার,

পাবেনাতো কোন দিনো স্থান ৷

ছেড়ে দিয়ে ঘর বাড়ি, রণ পথে দিল পাড়ি,

এদেশের সাধারন জনগন ৷

করেনি জানের ভয়, কত প্রাণ হলো ক্ষয়,

যুদ্ধ জয়ের মনে ছিল পন ৷

কতযে হলো নিলাম, মা-বোনের সম্মান,

যুদ্ধে রেখেছে তারা অবদান ৷

হয়েছে বিরঙ্গনা, সয়েছে যন্ত্রণা,

পশুরা করছে মা’কে অপমান ৷

দুধ খাওয়া ছোট শিশু, বোঝেনাযে কোন কিছু,

তাকেও দেয়নি পরিত্রাণ ৷

ভুলে মায়া মমতা, করেছে নির্মমতা,

যেন কোন ধ্বংস অভিজান ৷

এদেশেও ছিল কিছু, মানুষরূপি জংলি পশু,

আল-বদর, আল-সামস, রাজাকার ৷

বাচাঁবার কথা বলে, তাদের হাতে দেয় তুলে,

যারা ছিল পাক দেশি হানাদার ৷

ধর্মের বাণী বলে আথবা অন্য ছলে,

মেরেছে বাংলা মায়ের সন্তান ৷

পুড়িয়েছে ঘর-বাড়ি, ধর্ষিত করে নারী,

লুট করে ভরিয়েছে আস্তান ৷

এভাবেই নয় মাস, এক করে দিন রাত,

তবেই পেয়েছি সোনার দেশ ৷

ত্রিশ লাখ শহীদান, হয়েছিল কুরবান,

স্বাধীন বাংলা এলো অবশেষ ৷

 স্বাধীন বাংলাদেশে, এখনও লুকিয়ে আছে,

 রাজাকার আর রাজাকারের বাচ্চা ৷

 করতে ধ্বংস দেশ, করে দিতে নিঃশেষ,

 করে রোজি কতনা ব্যবস্থা ৷

করে বোমা হামলা, জ্ঞানি গুনি আমলা,

জিম্মি করে বিদেশী মেহমান ।

ছড়িয়েছে পাকি নীতি, ধুষণ করে রাজনীতি,

জাতীকে করেছে ওরা অপমান।

ওদের বিচার চাই, এদেশেতে ঠাই নাই,

গড়বো রাজাকার বিহীন দেশটা।

দেশের শত্রু ওরা, রাজাকারের পক্ষে যারা,

উপড়ে ফেলতে হবে শেষটা।